Showing posts with label Shabnur-Shakib. Show all posts
Showing posts with label Shabnur-Shakib. Show all posts

শাবনূরের দাবি ১৫ লাখ

ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছেন দুই তারকা শাবনূর ও শাকিব খান। কেউ কারো প্রতি সদয় হতে পারছেন না। যে ভাবে পারছেন একজন আরেকজনের উপর সুযোগ নিচ্ছেন। এক সময় শাকিব খান শাবনূরকে ছবি থেকে বাদ দিয়েছেন। এখন শাবনূর শাকিবের সঙ্গে কাজ করতে সরাসরি আপত্তি না করলেও শাকিব খানের অর্ধেক পারিশ্রমিক দাবি করছেন। সমপ্রতি পরিচালক জাকির হোসেন রাজু গিয়েছিলেন শাবনূরের কাছে শাকিবের সঙ্গে একটি ছবির অফার নিয়ে। শাবনূরের পরিষ্কার দাবি শাকিব থাকলে একসঙ্গে ১৫ লাখ টাকা দিতে হবে। পরিচালক রাজু অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেন। কিন্তু শাবনূর সিদ্ধান্তে অটল। শেষ পর্যন্ত রাজুকে ব্যর্থ হয়ে ফিরতে হলো। শাবনূর তার ঘনিষ্ঠজনদের জানিয়েছেন, যেখানে শাকিব খান ৩০ লাখ টাকা নেন সেখানে আমি ১৫ লাখ কি বেশি চেয়েছি। শাকিবের সঙ্গে আমাকে এর কম দিলে আমি করবো না। শাবনূর জানান, অন্য নায়কদের সঙ্গে তার পারিশ্রমিক আগেরটাই থাকবে।

শাবনূর-শাকিবের শীতল সম্পর্কের বরফ গলছে

মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন: দর্শকপ্রিয় জুটি শাবনূর-শাকিব খানের মধ্যে বিরাজমান শীতল সম্পর্কের অবসান ঘটতে চলেছে। গলছে শীতল সম্পর্কের বরফ। কোন সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বেশ কিছুদিন ধরে এই দুই তারকা বিরত রয়েছেন একসঙ্গে কাজ করা থেকে। ফলে সঙ্কট দেখা দিয়েছে চলচ্চিত্র ব্যবসায়ে। সামপ্রতিক সময়ে এই জুটির সর্বোচ্চসংখ্যক ছবি বড় রকমের ব্যবসায়িক সাফল্য পাওয়ার পাশাপাশি শাবনূরের পাশে অন্য কেউ অথবা শাকিবের পাশে অন্য কারও ছবি ওই সকল ছবির ব্যবসাকে স্পর্শ করতে না পারার কারণে ব্যবসায়ীরা চাইছেন সকল মান-অভিমান আর ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্ব ভুলে শাবনূর-শাকিব একসঙ্গে কাজ করুক। ব্যবসায়ীদের এই চাওয়াটা দু'জনেরই কানে পেঁৗছেছে। কিছুটা ভাবনাও ফেলেছে। কেন তাদের কাজ করা হচ্ছে না এমন প্রশ্ন নিজেরাই নিজেদের করছেন। কোন তৃতীয় অথচ সুযোগ সন্ধানী শক্তি তাদের মধ্যে ফাটল সৃষ্টি করে ফায়দা লুটছে_ এমন প্রশ্নও তাদের সামনে। আর এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে কিছুটা সময় ব্যয় করতে চান 'ঢাকাইয়া পোলা বরিশালের মাইয়া, 'কঠিন প্রেম', 'আমার প্রাণের স্বামী', '১ টাকার বউ' এবং 'তোমাকে বউ বানাবো'র মতো বড় রকমের ব্যবসা সফল ছবির দর্শক পছন্দের জুটি শাবনূর-শাকিব। তবে ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্বের কারণে দু'জনের কেউই সরাসরি আগ্রহ প্রকাশ না করলেও তাদের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। মতামত, জনমত দু'টোই যাচাই করছেন। তবে কেন এবং কিসের দ্বন্দ্ব তাদের মধ্যে এ বিষয়ে দু'জনের একজনও কোন উত্তর দিতে পারছেন না। আসলে তারা নিজেও জানেন না কোথায় কখন কি ঘটেছে। তবে তাদের জুটির আর মাত্র দু'টি ছবি মুক্তির জন্য প্রস্তুত থাকার বিষয়টি দু'জনেরই নজরে এসেছে। এই জুটির আয়ু শেষ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি কিছুটা হলে মনোকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে অভিনয়ে সেরা এই দুই শিল্পীর। শাবনূর-শাকিব জুটির গল্পনির্ভর ছবিগুলো ব্যবসায়িক সাফল্যের নেপথ্যে কাজ করেছে এই দুই সেরা তারকার অভিনয় যুদ্ধ। দর্শক প্রাণভরে উপভোগ করেন তাদের অভিনয়ের লড়াইটা। ক্যামেরার সামনে কেউ কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেন না। সমানে সমানে যুদ্ধ হয় বলে দর্শকরা দু'জনকে একসঙ্গে বেশি পছন্দ করে। এই সব প্রমাণিত বিষয়ই শাকিব-শাবনূরের মধ্যকার বিরাজমান বরফ গলাতে সহায়তা করছে। আগামীতে শাকিব-শাবনূরের যে দু'টি ছবি মুক্তি পাবে তার মধ্যে একটি 'বলবো কথা বাসর ঘরে' আগামী ৮ই মে সারাদেশে মুক্তি পাবে। নতুন পরিচালক শাহ মো. সংগ্রাম পরিচালিত এই ছবিতে শাবনূর-শাকিব খানের জমজমাট অভিনয় যুদ্ধ রয়েছে, যা ইতিমধ্যেই চলচ্চিত্র ব্যবসায়ীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ফেলেছে। ধনীর দুলালী শাবনূরের সঙ্গে গরিব মায়ের সনত্দান শাকিবের প্রেম, ভালোবাসা আর বিয়ে নিয়ে দ্বন্দ্বকে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যার ট্রেলার দেখার পর থেকেই চলচ্চিত্র ব্যবসায়ীরা চাইছেন সেরা জুটি শাবনূর-শাকিব চলচ্চিত্রের স্বার্থেই আরও কিছু ছবিতে একসঙ্গে কাজ করম্নক। বলা যায় এটা এখন চলচ্চিত্র শিল্পের সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদের প্রাণের দাবিতে রূপ নিতে শুরম্ন করেছে। শাকিব খান নির্ভর চলচ্চিত্র শিল্পে বর্তমানে শাকিবের পাশে দাঁড়ানো, তার সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্য শাবনূর ছাড়া আর কেউই নেই। আর পর্দায় যদি নায়ক-নায়িকা সমান সমান কিংবা সেয়ানে সেয়ানে না হয়, তাহলে সেটা জমজমাট হয় না। দর্শক সেটা গ্রহণও করে না। ফল দাঁড়ায় শূন্যতে। বর্তমান সময়ের সবদিক দিয়ে সেরা নায়ক শাকিব খানও দুর্বল প্রতিদ্বন্দ্বীদের সঙ্গে অভিনয় করে মজা পান না। দেরিতে হলেও এসব বিষয় দু'জনেরই উপলব্ধির মধ্যে এসেছে। 'বলবো কথা বাসর ঘরে'র পর শাকিব-শাবনূরকে আপাতত শেষবারের মতো দেখা যাবে পিএ কাজল পরিচালিত 'স্বামী স্ত্রীর ওয়াদা' ছবিতে। 'আমার প্রাণের স্বামী' ও '১ টাকার বউ'-এর সফল পরিচালক পিএ কাজল তার পূর্বের দুই ছবির মতোই অভিনয় যুদ্ধে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন শাবনূর ও শাকিবকে। তারপর বিরাট শূন্যতা। এখন যদি সবার আশার প্রতিফলন না ঘটে, যদি তাদের মধ্যে সত্যি সত্যি শীতল সম্পর্কের বরফ না গলে তাহলে হতাশায় ভোগাবে শাবনূর-শাকিব দু'জনকেই। এই হতাশা ভাল অভিনয় করতে না পারার, যোগ্য প্রতিপৰের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করতে পারার।